For Brands & Advertisers

পুজোয় বিজ্ঞাপনের সুযোগ: প্যান্ডেলে ব্র্যান্ডের চোখে পড়ার ১৫টা উপায় (২০২৬)

একটা প্যান্ডেলেই এক ডজনেরও বেশি বিজ্ঞাপনের জায়গা থাকে: গেট, লাইন, মঞ্চ, স্টল থেকে প্রসাদের প্যাকেট। কোনটার কী কাজ, কার জন্য ভালো, আর ২০২৬-এর আসল দাম।

PujaSathi23 Oct 20269 min read
পুজোয় বিজ্ঞাপনের সুযোগ: প্যান্ডেলে ব্র্যান্ডের চোখে পড়ার ১৫টা উপায় (২০২৬)

প্রতিটা বড় পুজো পাঁচ দিনের জন্য একটা ছোট শহর। গেট আছে, রাস্তা আছে, মঞ্চ, খাবারের জায়গা, লম্বা লাইন। আর আছে এমন ভিড়, যারা আপনাকে স্ক্রল করে পেরিয়ে যায় না। এর প্রতিটা জায়গাই বিজ্ঞাপনের একটা সুযোগ, যা আপনি কিনতে পারেন।

বেশিরভাগ ব্র্যান্ড ভাবে পুজোয় বিজ্ঞাপন মানে একটাই জিনিস: লোগো দেওয়া একটা ব্যানার। আসলে একটা প্যান্ডেলেই এক ডজনেরও বেশি আলাদা জায়গা থাকে, আর তাদের কাজও আলাদা। কোনোটা সবাই কয়েক সেকেন্ডের জন্য দেখে। কোনোটা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ ধীরে ধীরে পড়ে। কোনোটা আপনার জিনিস সরাসরি দর্শনার্থীর হাতে তুলে দেয়।

এই গাইডে পুজোর প্রতিটা বিজ্ঞাপনের সুযোগ, প্রতিটার কাজ, কার জন্য ভালো আর ২০২৬-এ খরচ কত, সব আছে। দামগুলো PujaSathi-র আসল লিস্টিং থেকে নেওয়া।

বিজ্ঞাপনদাতারা কেন পুজোর জায়গা চায়

  • মানুষ বাইরে, মন ভালো। পুজোর ক'দিন শহরটাই হয়ে ওঠে মানুষের সময় কাটানোর জায়গা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটা, লাইন, খাওয়া আর ছবি তোলা।
  • লাইনের সময় মানেই চোখ রাখার সময়। নামী পুজোয় গোটা উৎসবে দশ লাখ পর্যন্ত মানুষ আসতে পারে, আর অনেকে এক ঘণ্টা বা তার বেশি লাইনে দাঁড়ায়। লাইনের পাশের বোর্ডে কেউ শুধু চোখ বোলায় না, পড়ে। (অক্টোবর ২০২৬-এ exchange4media-কে Laqshya Media-র স্ট্র্যাটেজি প্রধান এই কথাটা বলেছেন।)
  • বিজ্ঞাপনের বাজেটের বড় মৌসুম। শিল্পমহলের নেতারা Storyboard18-কে জানিয়েছেন, দীপাবলির পরেই দুর্গাপুজো বিজ্ঞাপনের দ্বিতীয় বড় মৌসুম। জাতীয় ব্র্যান্ডরা তাদের উৎসবের বাজেটের প্রায় ৮–১০% পুজোয় খরচ করে, আর বাংলা ও পূর্ব ভারতের আঞ্চলিক ব্র্যান্ডরা ২৫–৩০% পর্যন্ত।
  • সরকারি হিসেবের চেয়ে বাজার অনেক বড়। কলকাতার একটি আউটডোর এজেন্সির হিসেবে, প্রায় দশ দিনে পশ্চিমবঙ্গে পুজোর আউটডোর ব্যবসা ₹৮০০–১,০০০ কোটি। তারা নিজেরাই জানিয়েছে এটা অনুমান, সরকারি হিসেব নয়। এই টাকার বেশিটাই স্পনসরশিপ হিসেবে পুজো কমিটির হাতে যায়, তাই সাধারণ বিজ্ঞাপনের রিপোর্টে ধরা পড়ে না।

ছোট-বড় সব ব্র্যান্ডই এই সুযোগ নেয়। ২০২৬-এ ইমামির স্ন্যাক ব্র্যান্ড WeMe কলকাতার প্রায় ৬০টা জায়গায় ৭৫,০০০ বর্গফুট উৎসবের ব্র্যান্ডিং নিয়েছে। আবার পাড়ার এক মিষ্টির দোকান নিজের দোকানের কাছের পুজোর গেট স্পনসর করেছে। দু'জনেই একই জিনিস কিনছে: উৎসবে বাধা না দিয়ে উৎসবের অংশ হয়ে ওঠা।

পুজোয় বিজ্ঞাপনের ১৫টা সুযোগ

ঢোকার মুখে

১. গেট বা তোরণ ব্র্যান্ডিং। ঢোকার মুখের ওপরের প্যানেল, বা পুরো গেটটাই। প্রত্যেক দর্শনার্থী এর নিচ দিয়ে হাঁটে, আর প্রায় প্রতিটা দলবদ্ধ ছবিতে এটা ধরা পড়ে। বেশিরভাগ পুজোয় এটাই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ার জায়গা। কার জন্য: যে ব্র্যান্ড পুজোর প্রধান পার্টনার হিসেবে পরিচিত হতে চায়। PujaSathi-তে দাম: ₹১০,০০০ থেকে ₹১,০০,০০০, সাধারণত প্রায় ₹৪২,৫০০। গেট ও তোরণ ব্র্যান্ডিং গাইড

২. টাইটেল স্পনসরশিপ ("নিবেদনে")। পুজোর নামের সঙ্গে আপনার নাম জুড়ে যায়: গেটে, মঞ্চের ঘোষণায় আর কমিটির সোশ্যাল পোস্টে। ব্র্যান্ড আর পুজোর মধ্যে এটাই সবচেয়ে জোরালো যোগ, আর প্রায়ই এর সঙ্গে আরও কিছু জায়গা থাকে। কার জন্য: যে ব্র্যান্ড একটা পাড়াকে নিজের করে নিতে চায়। PujaSathi-তে দাম: পাড়ার আর মাঝারি পুজোয় সাধারণত প্রায় ₹৫০,০০০, নামী থিম পুজোয় অনেক বেশি।

রাস্তায় আর লাইনে

৩. ব্যানার। প্যান্ডেলে যাওয়ার রাস্তা, সীমানা বা ভেতরের দেওয়ালে ফ্লেক্স ব্যানার। পুজোয় থাকার এটাই সবচেয়ে সস্তা উপায়। পরপর কয়েকটা নিলে সবচেয়ে ভালো কাজ করে, কারণ মানুষ বারবার দেখে। PujaSathi-তে দাম: ₹২,৫০০ থেকে, সাধারণত প্রায় ₹৫,০০০।

৪. ফ্লেক্স হোর্ডিং। প্যান্ডেলে যাওয়ার রাস্তায় বাঁশের কাঠামোয় বড় বোর্ড। কলকাতায় এই অস্থায়ী কাঠামোর জন্য এখন পুরসভার অনুমতি লাগে। সাধারণত কমিটি বা তাদের ঠিকাদার এটা করে দেয়, তবু নিশ্চিত হয়ে নিন। হোর্ডিং ও ফ্লেক্স গাইড PujaSathi-তে দাম: সাধারণত প্রায় ₹৪,৫০০।

৫. পিলার আর খুঁটি মোড়ানো। প্যান্ডেলের ভেতরের থাম বা লাইনের পাশের ল্যাম্পপোস্টে ব্র্যান্ডিং। চোখের উচ্চতায় আর বারবার, তাই ছোট বার্তা আর লোগোর জন্য আদর্শ। PujaSathi-তে দাম: ₹১,৫০০ থেকে, একসেট সাধারণত প্রায় ₹১২,০০০। ব্যানার ও পিলার গাইড

৬. ব্যারিকেড আর লাইনের প্যানেল। ভিড় সামলানোর ব্যারিকেডের গায়ের প্যানেল। মানুষ এর পাশে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে, তাই এখানে অন্য যেকোনো জায়গার চেয়ে বেশি কথা লেখা যায়: অফার, ফোন নম্বর, QR কোড।

৭. ব্যাকলিট বোর্ড। পেছন থেকে আলো দেওয়া বোর্ড, যা গভীর রাতেও পড়া যায়। অষ্টমী-নবমীর ভিড় মাঝরাতের পরেও থাকে, আর আলো ছাড়া ব্যানার অন্ধকারে হারিয়ে যায়। PujaSathi-তে দাম: ₹৪,০০০ থেকে ₹৫০,০০০।

৮. দিকনির্দেশ আর সাহায্যের বোর্ড। "বেরোনোর পথ", "পানীয় জল", "প্রাথমিক চিকিৎসা", "জুতো রাখার জায়গা"। মানুষের এগুলো দরকার আর খোঁজে, তাই স্পনসর করা বোর্ড এক রাতে শত শতবার পড়া হয়। আপনার ব্র্যান্ডকে উপকারী দেখায়, যা ব্যাঙ্ক, হাসপাতাল, বিমা আর টেলিকম ব্র্যান্ডের জন্য ভালো।

মঞ্চে আর তার চারপাশে

৯. মঞ্চের ব্যাকড্রপ। সাংস্কৃতিক মঞ্চের পেছনের ব্যাকড্রপ। প্রতিটা অনুষ্ঠানের ছবিতে আর কমিটির প্রতিটা ভিডিওতে এটা থাকে, আর বোধন, সন্ধ্যার অনুষ্ঠান আর দশমীর বিদায়ের সময় চোখের সামনে থাকে। মঞ্চ স্পনসরশিপ গাইড PujaSathi-তে দাম: ₹৮,০০০ থেকে, সাধারণত প্রায় ₹২২,৫০০।

১০. সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্পনসরশিপ। এক সন্ধ্যার গান, নাচ বা কুইজ আপনার ব্র্যান্ডের "নিবেদনে", অনুষ্ঠানের মাঝে ঘোষণা সমেত। কম বাজেটে পুজোয় ঢোকার ভালো উপায়। PujaSathi-তে দাম: প্রায় ₹১৫,০০০।

১১. LED স্ক্রিন। মঞ্চের পাশে বা রাস্তায় ভিডিও স্ক্রিন। প্রতিদিন বিজ্ঞাপন বদলানো যায় (অষ্টমী আর নবমীতে আলাদা অফার), আর কিছু কমিটি প্রমাণ হিসেবে প্লে-লগ দিতে পারে। LED স্ক্রিন গাইড PujaSathi-তে দাম: ₹২৫,০০০ থেকে ₹৫০,০০০।

যেখানে মানুষ থামে

১২. স্টল আর কিয়স্ক। পুজোর মাঠে আপনার নিজের কাউন্টার, যেখানে ব্র্যান্ড দেখা থেকে আসল বিক্রি আর সাইন-আপ হয়। খাবার-পানীয়, সিম কার্ড, বিমা, ফ্ল্যাটের খোঁজখবর আর অ্যাপ ডাউনলোডের জন্য কাজে দেয়। স্টল বুকিং ও স্যাম্পলিং গাইড PujaSathi-তে দাম: ₹৮,০০০ থেকে, সাধারণত প্রায় ₹১৫,৫০০।

১৩. প্রোডাক্ট স্যাম্পলিং। আপনার কর্মীরা পানীয়, স্ন্যাকস, স্যাশে বা লিফলেট বিলি করে। দর্শনার্থী শুধু পড়ে না, চেখে দেখে। তাই খাবার আর পার্সোনাল-কেয়ার ব্র্যান্ডের এটা খুব পছন্দের।

১৪. ফুড কোর্ট আর ভোগের জায়গায় ব্র্যান্ডিং। ভোগ বিতরণের জায়গা, খাবারের স্টল, প্লেট, ন্যাপকিন বা জলের জায়গায় ব্র্যান্ডিং। এখানেই পরিবার কুড়ি মিনিট বসে।

১৫. প্রসাদ আর উপহারের প্যাকেট। প্রসাদের বাক্স বা উপহারের ব্যাগে আপনার নাম, যা পরিবারের সঙ্গে বাড়ি যায়। একেকটার খরচ খুব কম, আর পুজো শেষ হলেও বাড়িতে থেকে যায়।

বাড়তি: ডিজিটাল। অনেক কমিটির ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রাম পেজ খুব সক্রিয়, প্রতিদিন প্যান্ডেল থেকে রিল দেয়। তাদের পোস্ট আর লাইভে আপনার ব্র্যান্ড রাখতে বলুন। প্রায়ই সামান্য বা কোনো বাড়তি খরচ লাগে না।

আপনার লক্ষ্যের জন্য কোন সুযোগ

| আপনার লক্ষ্য | সেরা জায়গা | কেন | |---|---|---| | সবাই যেন নাম জানে | গেট বা তোরণ, টাইটেল স্পনসরশিপ, LED | প্রত্যেক দর্শনার্থী আর প্রতিটা ছবিতে | | কাছের দোকানে ভিড় আনা | রাস্তায় ব্যানার, দিকনির্দেশের বোর্ড, ঠিকানা লেখা লাইনের প্যানেল | দোকানের কাছে বারবার চোখে পড়া | | খোঁজখবর বা লিড পাওয়া | স্টল, QR কোড দেওয়া লাইনের প্যানেল | মানুষের থেমে কিছু করার সময় আছে | | নতুন প্রোডাক্ট লঞ্চ | স্যাম্পলিং, স্টল, মঞ্চে ঘোষণা | জিনিস সরাসরি হাতে | | ভরসার ব্র্যান্ড হওয়া | সাহায্য ও দিকনির্দেশের বোর্ড, জলের জায়গা, ফার্স্ট-এইড বুথ | ব্র্যান্ড কাজে লাগে, শুধু আওয়াজ করে না | | কম বাজেট | ব্যানার, একসেট পিলার, এক সন্ধ্যার অনুষ্ঠান | একেকটা জায়গা ₹২,৫০০ থেকে |

শুধু জায়গা নয়, ঠিক পুজোটাও বাছুন

  • আগে এলাকা, তারপর পুজো। আপনার দোকান থেকে এক কিলোমিটার দূরের পাড়ার পুজো শহরের অন্য প্রান্তের নামী পুজোর চেয়ে ভালো। আপনার খদ্দেররা রোজ ওর পাশ দিয়েই যায়।
  • দিনভিত্তিক ভিড়ের হিসেব চান। কমিটির ভিড়ের হিসেব সাধারণত যাচাই করা নয়, তাই অনুমান হিসেবেই ধরুন। যে কমিটি বলে "অষ্টমীর সন্ধ্যায় প্রায় ৮,০০০ জন", সে "লাখ লাখ" বলা কমিটির চেয়ে বেশি বিশ্বাসযোগ্য।
  • গত বছরের স্পনসরদের ছবি চান। ভালো কমিটির কাছে থাকে। ওতে বোঝা যায় জায়গাগুলো আসলে কোথায়, আর কত ভালোভাবে লাগানো হয়েছিল।
  • লাগানোর প্রমাণ চান। উৎসবের সময় আপনার ব্র্যান্ডিং লাগানো আর আলো জ্বলা অবস্থার ছবি চাইবেন। PujaSathi-তে এটা নিয়মের মধ্যেই আছে। আমাদের প্রমাণের নিয়ম
  • মাপার উপায় রাখুন। ব্র্যান্ডিংয়ে QR কোড বা প্যান্ডেল-ভিত্তিক অফার কোড দিন, তাহলে বুঝবেন কোন পুজো থেকে ব্যবসা এল। স্পনসরশিপের ROI মাপার উপায়

শুধু দুর্গাপুজো নয়

প্রায় প্রতিটা ভারতীয় উৎসবেই একই সুযোগ আছে। এই মরসুমে: কালীপুজো ও দীপাবলি (৮ নভেম্বর ২০২৬), ছটপুজোর ঘাট (১৩–১৬ নভেম্বর) আর জগদ্ধাত্রী পুজো (১৮ নভেম্বরের কাছাকাছি), সাধারণত দুর্গাপুজোর চেয়ে কম দামে। ২০২৭-এ: সরস্বতী পুজো (১১ ফেব্রুয়ারি), রথযাত্রা (৫ জুলাই), গণেশ চতুর্থী (৪–১৪ সেপ্টেম্বর), নবরাত্রি (৩০ সেপ্টেম্বর থেকে), দুর্গাপুজো (৫–১০ অক্টোবর) আর দীপাবলি ও কালীপুজো (২৯ অক্টোবর), সঙ্গে বিদেশের বাঙালি পুজো। বুকিংয়ের শেষ তারিখ সমেত পুরো তালিকা পাবেন উৎসবে বিজ্ঞাপনের সুযোগ ২০২৬–২৭ লেখায়।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে বিজ্ঞাপনের সুযোগ কী কী?

প্রধান সুযোগগুলো হল গেট বা তোরণ ব্র্যান্ডিং, টাইটেল স্পনসরশিপ, ব্যানার, ফ্লেক্স হোর্ডিং, পিলার মোড়ানো, লাইনের ব্যারিকেড প্যানেল, ব্যাকলিট বোর্ড, দিকনির্দেশের বোর্ড, মঞ্চের ব্যাকড্রপ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্পনসরশিপ, LED স্ক্রিন, স্টল, স্যাম্পলিং, ফুড কোর্ট ব্র্যান্ডিং আর প্রসাদের প্যাকেট।

পুজোয় বিজ্ঞাপনের সবচেয়ে সস্তা উপায় কী?

ব্যানার আর ফ্লেক্স বোর্ড। PujaSathi-তে পাড়ার পুজোয় একেকটা ব্যানার প্রায় ₹২,৫০০ থেকে শুরু। একটা বড় নেওয়ার চেয়ে একই রাস্তায় কয়েকটা নিন।

কোন জায়গা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে?

ঢোকার গেট বা তোরণ। প্রত্যেক দর্শনার্থী এর নিচ দিয়ে যায়, আর মানুষ যে ছবি শেয়ার করে তার বেশিরভাগেই এটা থাকে।

কোন জায়গা থেকে সবচেয়ে বেশি লিড আসে?

স্টল, অথবা QR কোড দেওয়া লাইনের প্যানেল। মানুষের থেমে জিজ্ঞেস করার আর স্ক্যান করার সময় থাকে।

পুজোয় বিজ্ঞাপন বুক করব কীভাবে?

সরাসরি কমিটির কাছে বা এজেন্সির মাধ্যমে যেতে পারেন, অথবা অনলাইনে PujaSathi-তে বুক করতে পারেন। সেখানে প্রতিটা জায়গার দাম আর ছবি দেখা যায়, নিরাপদে টাকা দেওয়া যায়, আর ব্র্যান্ডিং লাগানোর পর ছবির প্রমাণ পাওয়া যায়।

পুজোয় বিজ্ঞাপন লাগাতে কি অনুমতি লাগে?

প্যান্ডেল আর তার রাস্তার অনুমতি সাধারণত কমিটিই করে। কলকাতায় বাঁশের কাঠামোয় অস্থায়ী হোর্ডিংয়ের জন্য পুরসভার অনুমতি লাগে। কমিটিকে জিজ্ঞেস করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

আপনার জায়গা খুঁজে নিন

ব্র্যান্ড আর দোকান: খালি বিজ্ঞাপনের জায়গা আছে এমন পুজো দেখুন। প্রতিটা লিস্টিংয়ে জায়গা, দাম আর ছবি আছে, আর যা নিশ্চিত হয় শুধু তার জন্যই টাকা দেবেন।

পুজো কমিটি: বিজ্ঞাপনদাতারা ঠিক এই জায়গাগুলোই খুঁজছে। বিনামূল্যে আপনার পুজো লিস্ট করুন আর প্রতিটা জায়গার দাম দিন।

আরও পড়ুন: [দুর্গাপুজো স্পনসর করতে কত খরচ?](/blog/durga-pujo-sponsor-korte-koto-kharoch) · [₹২৫,০০০-এর মধ্যে পাড়ার পুজো স্পনসর](/blog/25000-takar-modhye-paray-pujo-sponsor) · [ভারতে উৎসব স্পনসরশিপের সুযোগ](/blog/bharate-utsab-sponsorship-sujog)

#পুজোয় বিজ্ঞাপনের সুযোগ#দুর্গাপুজোয় বিজ্ঞাপন#প্যান্ডেলে বিজ্ঞাপন#পুজোয় ব্র্যান্ডিং#পুজো স্পনসরশিপ#প্যান্ডেল ব্যানার#পুজোয় বিজ্ঞাপনের খরচ#pujo advertising opportunities bangla
Share: WhatsApp FacebookX

Find festivals to sponsor

Browse verified festivals with transparent all-in pricing and book your on-ground advertising slots.

Browse festivals

Related articles

দুর্গাপুজো ২০২৭-এ বিজ্ঞাপন: তারিখ, সুযোগ আর কবে বুক করবেন
For Brands & Advertisers

দুর্গাপুজো ২০২৭-এ বিজ্ঞাপন: তারিখ, সুযোগ আর কবে বুক করবেন

দুর্গাপুজো ২০২৭ শুরু মঙ্গলবার ৫ অক্টোবর, ২০২৬-এর চেয়ে প্রায় বারো দিন আগে, আর পড়ছে সপ্তাহের কাজের দিনে। তারিখ, বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য কী বদলাচ্ছে, আর মাস ধরে বুকিংয়ের পরিকল্পনা।

23 Oct 20268 min read
নবরাত্রি আর গরবায় বিজ্ঞাপন: ভারতের সবচেয়ে কম দামে বিকোনো জায়গা
Festival Calendar

নবরাত্রি আর গরবায় বিজ্ঞাপন: ভারতের সবচেয়ে কম দামে বিকোনো জায়গা

টানা নয় রাত টিকিটের অনুষ্ঠান, প্রতি সন্ধ্যায় ফিরে আসা তরুণ ভিড়, আর একটা মঞ্চ। গরবার রাত প্যান্ডেলের চেয়ে গানের উৎসবের বেশি কাছাকাছি, অথচ দাম ধরা হয় দুটোর কোনোটার মতোই নয়।

23 Oct 202610 min read
দীপাবলিতে বিজ্ঞাপন: যে উৎসবের প্যান্ডেল নেই, সেখানে কী বুক করবেন
Festival Calendar

দীপাবলিতে বিজ্ঞাপন: যে উৎসবের প্যান্ডেল নেই, সেখানে কী বুক করবেন

দীপাবলি ভারতের সবচেয়ে বড় উৎসব, অথচ মাঠে বিজ্ঞাপনের জায়গা কেনা সবচেয়ে কঠিন, কারণ কোনো একটা জায়গা নেই। ভিড় আসলে কোথায় জমে, আর সেখানে পৌঁছতে কত খরচ।

23 Oct 202610 min read